মানুষের সৃষ্টি কিভাবে

মানুষের সৃষ্টি হয়েছিলো কোন এক স্বর্গের স্থানে যেখানে মানুষের দেহ শান্তিপূর্ণ ও উপযুক্ত পরিবেশ ছিলো মানুষের জন্য? ডা. সিলভার এর থিউরি অনুযায়ি, ~ মানুষের সৃষ্টি এই পৃথিবীতে হয়নি, বরং অন্য কোন উৎস থেকে এই পৃথিবীতে মানুষের অবির্ভাব ঘটেছিলো, বিজ্ঞানী সিলভার বলেন, এটা মানুষের কোন গ্রহ নয়, ডা: সিলভার এর থিউরি অনুযায়ি মানুষের দেহ, তার মতে ; বেশীরভাগ প্রানী দিনের পর দিন রোদে ঘুরতে পারে, কিন্তু মানুষ কয়েক ঘন্টার বেশি থাকতেই পারেনা, সূর্যের আলো মানুষের চোখ ধাধিয়ে যায় কিন্তু অন্য প্রানী দের চোখ ধাধায় না কেনো? ~ প্রকৃতিতে স্বাভাবিক ভাবে পাওয়া বা গুজিয়ে উঠা খাবার মানুষ খেতে পছন্দ করে না কেনো? আবার কিছু খাবার তো এমন, যা কোন মানুষ খেলে মৃত্যু ঝুঁকি ও থাকে!! ~ আবার অদ্ভুত ভাবে মানুষ এর প্রায় প্রত্যেকের ক্রনিক রোগ দেখা যায় ; ঘাড়ে পিঠে বা কোমরে ব্যাথা দেখা যায় কেনো? ঘাড়ে পিঠে কিংবা কোমরে ব্যাথা কি অন্য কোন প্রাণীর হয়? ~ ডা: সিলভারের মতে, ব্যাক পেইন হলো দীর্ঘস্থায়ী রোগ যা বেশিরভাগ মানুষের হয়ে থাকে, কারন তারা পৃথিবীর মধ্যে হাটাচলা করতে বা কাজ করতে মধ্যাকর্ষন এর সাহায্য পায়না এই রোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমান যা আমাদের বুঝিয়ে দিতে সাহায্য করে যে, আমাদের দেহ অন্য কোন একটি শান্তির জায়গায় হয়েছিলো বা আমাদের দেহ অন্য কোন বসবাসের উপযুক্ত জায়গায় হয়েছিলো যেখানে মধ্যাকর্ষন শক্তি ক্ষণ ও শান্তিপূর্ণ। ~ মানুষের বাচ্ছারা, মাথা বড় হওয়ার জন্য নারীদের স্বাভাবিক উপায়ে প্রসব করতে সমস্যা হয়,অনেক মা ও শিশুর মৃত্যু পর্যন্ত হয়, কিন্তু পৃথিবীর অন্য কোন জীবের মধ্যে এরকম কোন সমস্যা নেই ; মানুষের ইউরেটাস এর ভেতরে থাকা জায়গার তুলনায় শিশুর আয়তন অনেক বড় হয়, ~ মানুষের দেহে ২২৩ টি অতিরিক্ত জিন থাকা স্বাভাবিক নয়, কারন পৃথিবীর অন্য কোন প্রাণীর ও অতিরিক্ত জিন নেই। আবার, পৃথিবীর কোন মানুষ ১০০ শতাংশ সুস্থ নয়, প্রত্যেকে এক বা একাধিক রোগে ভুগে থাকে, এবার ~ মানুষের ঘুম নিয়ে আশা যাক, গভেষকরা বলেন পৃথিবীতে দিন (রাত+দিন) ২৪ ঘন্টা, কিন্তু মানুষের দেহের অভ্যন্তরীণ ঘড়ির মতে দিন+রাত হওয়া উচিৎ ছিলো ২৫ ঘন্টা ; এবং এটা আধুনিক সভ্যতার বিকাশ এর জন্য নয় বরং মানবজাতির সূত্রপাত থেকে মানুষের শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ির মতে উপযুক্ত ছিলো যা বরাদ্ধছিলো দিন+রাত ২৫ ঘন্টা। ~ সূর্য রশ্মির জন্য আমাদের ত্বক কালো হওয়া দিয়েই বোঝা যায় বা প্রমান করে যে আমাদের শরীরের জন্য সূর্য রশ্মি উপযুক্ত নয় ; আবার দেখা যায়, মানুষ কস্টের থেকেও বেশি শান্তি প্রিয় আবার আরামদায়ক জিনিস গুলো কেই ভালবাসে, যেমন ; প্রতিটি মানুষ চায়, তার কোন কাজে তাকে কস্ট করতে না হউক কিংবা চাহিবা মাত্র তার চাহিদা অনুযায়ি,অই জিনিস টি তার সামনে আসুক ; (ধরুন আপনি একগ্লাস দুধ খাবেন কিন্তু উঠে যাওয়ার চেয়ে চাহিবা মাত্র অই দুধ এর গ্লাসটি আপনা আপনি আপনার সামনে আসুক!!!) মানুষ প্রাথমিক অবস্থায়, এমন কোন জায়গায় ছিলো যেখানে সে চাহিবা মাত্র সব কিছুই তার সামনে চলে আসতো তাকে উঠে গিয়ে তা নিয়ে খেতে হতোনা। কিন্তু পৃথিবীতে আসার পর ব্যাতিক্রমি হওয়ায় ব্যাপারটির উল্টো ঘটায় তার মস্তিস্ক চায় না যে তাকে উঠে গিয়ে তার চাহিদাপূরণ করতে। ~ বিজ্ঞানী সিলভারের আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ থিউরি ছিলো আর তার থিউরি অনুযায়ি মানুষ পৃথিবীর কোন বাসিন্দা নয় বরং মানুষ সৃষ্টি হয়েছিলো কোন এক উপযুক্ত ও শান্তির স্থানে এবং যেখানে মানুশের শরীর দেহ ও আবহাওয়া উপযুক্ত ছিলো কিন্তু পরে কোন কারনে কেউ না কেউ মানুষ কে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল আর সেখান থেকেই মানুষ সৃষ্টির সূত্রপাত ঘটে! তবে এসব থিউরির বিরোধীতা করছে জীব বিজ্ঞানীরা, তাদের মতে মানুষের আবির্ভাব ও সূত্রপাত ঘটে বিবর্তন বানর থেকে , কিন্তু তারাও পর্যাপ্ত প্রমান দিতে ব্যার্থ। ডা: সিলভারের থিউরি গুলো অনেক কঠিন হলেও সিটিজেনস দের বুঝানোর জন্য সিভিলিয়ান থেকে সহয ভাবে আমাদের নাগরিকদের মানুষ সৃষ্টি সম্পর্কে কিছুটা হলেও বুঝানোর চেস্টা করা হয়েছে। পরের কোন পোস্টে, বিজ্ঞানী ডা. সিলভারের আরো কিছু চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ থিউরি গুলো পোস্ট করা হবে। তবে, আপনি আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত লিখুন কমেন্ট বক্সে।

Comments

Popular Posts